ঘুম থেকে যথারীতি দুপুরে উঠেই মাথা হ্যাং । ইতিমধ্যে ক্রেভিংস কাজ করতেছে আসক্তির। কি করবো কিছু বুঝতেছিলাম না। যাইহোক চুলায় নিজে নিজেই কতগুলা পানি দিয়ে তার মধ্যে এলাচি, গাছের ছাল ভেঙে দিয়ে কতক্ষণ জাল দিয়ে লাল করে নিলাম চা বানানোর জন্য। এরপর তারমধ্যে হালকা চিনি দিয়ে টি ব্যাগ চুবিয়ে দিয়ে একটা কড়া চা বানিয়ে নিলাম নিজে নিজে। এই বাড়িতে আসলে মূলত আমার কিছুই করা লাগেনা। এমনকি পরবর্তীতে চা এভাবে বানিয়ে ফ্লাক্সেও রেখে দিয়েছিলো । মূলত কেউই জানেনা আমি ক্যান এসেছি বা কেনোই উদ্ভট সব আচরণ করতেছি ।
যাইহোক চা খাওয়ার পরপর কফি খেতে ইচ্ছে করলো কিন্তু আমি কফি বলতে যা পারি একটু ব্ল্যাক কফি তাই আর নিজে নিজে বানালাম না। দুপুরে খেয়ে সদরে চলে গেলাম লাবনীর থেকে কফি শপ এর সাজেশন নিয়ে। উল্লেখ্য প্রথমদিন আমার শিক্ষার্থী ফয়সাল কে নিয়েও একটা কফি শপ এ গিয়েছিলাম । যেখানে খুবই বাজে কোল্ড কফি ছিল । যাইহোক রিভার ভিউ রেস্টুরেন্ট এর কফি মোটামুটি হলেও চিনি বেশী ছিল । আর বার্গার, ফ্রাইস, ক্রিস্পি চিকেন খুবই বাজে ছিলো ।
যাইহোক খাবার শেষ করে গেলাম একটু রিগ্যাল ফার্নিচার এ চেয়ার করতে এবং অনেক খোঁজাখুঁজির পর মোটামুটি একটা চেয়ার পছন্দ হল ১৬০০০+ টাকা মূল্যের । সাথে আরও কিছু ইলেকট্রিক আইটেম ও কেনা লাগলো এবং একটা স্পিকার ও কিনে ফেললাম । যদিও আমি জানি এখানে বেশীদিন থাকা হবেনা। কিন্তু একজন এডিক্টেড এর যা ভাল্লাগে তাই করে। তাই ভালো লাগতেছিলো কিনছিলাম যা মন চাচ্ছিল । বরগুনা এসে গত ৩ দিনে প্রায় ১০ হাজার (ঢাকা থেকে তুলে আনি ), বিকাশ এ ১০ হাজার, বরগুনা এসে ৩০ হাজার তুলি টোটাল ৫০ হাজার যা প্রায় শেষ । যাইহোক রাতে বাসায় এসে মিউজিক শুনি এবং ফেসবুক ফ্রেন্ড প্রিয়ার সাথে প্রায় রাত ২:৩০ পর্যন্ত কথা বলি । মূলত আমি বুঝতে পারি প্রিয়া আমার উপর ক্রাশ হয়েছে বা আমাকে পছন্দ করে তাই আমিও কথা বললাম কিন্তু কোনো রিলেশনশিপ এ যাইনি এখনো আমরা । ক্যাজুয়াল কথাবার্তা বলি । ওর সাথে কথা শেষ করে মিউজিক শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ি রাত প্রায় ৪ টার দিকে ।
