সিদ্ধান্তগ্রহণঃ কি করি, কি করি ভেবে না পাই 😐

মূলত এই জার্নিটা গত দুইবছর ধরেই দিবো দিবো করছিলাম। রিমোট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভাইবস নেয়ার জন্য । মেন্টরিং, সোস্যাল লাইফ, দায়িত্ববোধ সব মিলিয়ে হচ্ছিলো না আর কি ।

যাইহোক, ২৪ তারিখ রাতে কাছের এক ভাই ব্রাদার এর বাসায় স্টে-ওভার করি এবং সেইদিন এক ছোটভাই রঙিন পানিও আনে। আমি আবার আমার আসক্তিতে ইমোশনাল কম, প্রোডাক্টিভ চিন্তাভাবনা বেশী আসে, হয়তো সারাদিন বিজনেজ, সাকসেস, মোটিভেশান ইত্যাদি নিয়ে চিন্তার কুফল বা সুফল । তো যা বলছিলাম, সারারাত অংক কষার পর সকালে মনে হলো, যা হয় দেখা যাবে আজকেই বের হয়ে যাই ৮ সপ্তাহের তুলে রাখা সেই প্লান টা । সকাল ৯ টার দিকে নিজ বাসায় এসে টানা ২ ঘন্টা মিউজিক শুনলাম আর ভাবলাম। ১১ টার পর, ফাইনালি নিজেকে বোঝাতে সক্ষম হলাম এবং আস্তে ধীরে ব্যাগপ্যাক এবং নিজে রেডি হওয়া শুরু করলাম। রেডি হতে, হতেও বেশ কয়েকবার মাথায় ব্যাপারটা নাড়া দিচ্ছিলো আর থমকে যাচ্ছিলাম । আমি চলে গেলে উত্তরার বাসা কে সামলাবে , অফিস কে সামলাবে তার উপর কয়েকদিন পরেই ১ তারিখ – নতুন মাসের ফাইন্যান্স, আম্মার বাসার ফাইন্যান্স, মাদ্রাসার ফাইন্যান্স আরও কত্তগুলা দায়িত্ব, নেটফ্লিক্স এ স্যুট সিরিজটা সিজন ২ এ এসেছি মাত্র মজাও লাগতেছে, চিকিমাংকি দের ফলো-আপ, এক্সিস্টিং চিকিমাংকিদের দেয়া এই সপ্তাহের স্কেজিউল এরই বা কি হবে !

ফাইনালি, ২:৩৮ এ চিন্তা করা বাদ দিয়ে ৯ মিনিটে ব্যাগপ্যাক লোড করে বের হয়ে গেলাম, ছোটভাইকে বাসার সব দুষ্টু-স্টক ফেলে দিতে বলে। যেহুতু আগেই প্লান ছিলো দক্ষিণবঙ্গ দিয়ে শুরু করবো ডিরেক্ট মাওয়া রোডে উঠে গেলাম। এবং ঠিক ৪ টা বাজে মাওয়া-রোড থেকে ৮ সপ্তাহের প্লানে অংশগ্রহণ করলাম।